Hindu Genocide intolerable; UN should send Peace Keeping Force: Dr Surendra Jain


no img found

Press Statement:

Hindu Genocide intolerable; UN should send Peace Keeping Force: Dr Surendra Jain

Nationwide protest on 20th ; burn effigy of Jihadist terrorism & Memorandum to Mahamahim

New Delhi, October 19, 2021 - The Vishva Hindu Parishad (VHP) has said that the United Nations Organization (UNO) should now send a Peace Keeping Force to stop the nonstop Jihadist genocide of the indigenous Hindus in Bangladesh. VHP's Central Joint General Secretary, Dr Surendra Jain said that the atrocities being committed by the radical Islamic Jihadists and fundamentalists on Hindus can only be compared with the brutality of the Nazis. There is no sign of a stop to the sequence of brutal atrocities against Hindus. Now the UNO should take the initiative in this matter and send its Peace Keeping Force to Bangladesh without any delay for the protection of the badly afflicted minority native Hindus there. Condemning the brutal atrocities on Hindus, VHP cautions PM Sheikh Hasina to follow her Raj Dharma (duty of ruler), ensure the safety and security of his minority Hindu society and get the anti-humanists exemplarily punished.

He said that the UNO and all human rights organizations remain crippled. Islamic fundamentalists are bent on making Bangladesh a country totally devoid of Hindus. The Bangladesh government has become a mute spectator. Instead of controlling the radical Jihadis, the Prime Minister of Bangladesh is advising the Government of Bharat that it should not allow any such incident to happen in Bharat/India that would inflame the Muslims in Bangladesh. After this statement of Sheikh Hasina, Muslim fundamentalists became more frenzied and the brutal atrocities on Hindus increased. The cycle of atrocities shows no sign of stopping yet.

The Joint General Secretary of VHP said that Bangladesh is a declared Islamic country with Islam as its state religion. That is why, like Afghanistan and Pakistan, there have been heinous atrocities on Hindus in Bangladesh since the beginning, but the current developments have broken all the previous records. In the last 10 days alone, over 150 Mother Durga Puja pandals have been destroyed and over 362 icons of deities demolished. Thousands of houses and shops of Hindus have been attacked and looted. More than 1,000 Hindus have been injured and till now 10 Hindus have also been reported dead. Many Hindu women have been brutally gang raped. At Haji Ganj of Chandpur, a woman, her daughter and her niece/sister's daughter were brutally gang-raped. An innocent 10-year-old girl died there. More than 50 temples including three ISKCON temples, Ashrams of Ramakrishna Mission, Ram Thakur Ashram, have been destroyed. Two saints of ISKCON and three priests of Chaumohini temple have been brutally murdered. Another priest's body was found yesterday in the pond of ISKCON temple. From many districts partial news have been received due to internet restrictions. The reality is even worse than this.

He said that such atrocities on Hindus have become a part of the radical Islamic character, which is evidenced by the steadily declining population of Hindus in present day Bangladesh. The Hindu population in East Pakistan was 22% in 1951; from 18% in 1971 at the time of the creation of Bangladesh, it has now come down to just 7%. This proves that even after the creation of Bangladesh, the Islamic practice of atrocities on Hindus has not stopped but increased rapidly. The whole world knows that similar inhuman atrocities were done on all Bengalis by the Pakistani army, that is, during the nine-month-long Bangladesh Liberation War in 1971, members of the Pakistan Armed Forces and supporting pro-Pakistani Islamist militias from the then East Pakistan Jamaat-e-Islami killed 30 Lakh (3 million) Bengalis and raped 400,000 Bengali women. To get rid of this inhuman situation, Bharat helped the Mukti Bahini – a formal military resistance force – and the map of Pakistan was changed with the creation of Bangladesh. But after getting rid of Pakistani atrocities, the real character of the Muslim society of Bangladesh came to the fore and the governments there became the custodians and patrons of this barbaric character.

After declaring itself an Islamic country, the previous Enemy Property Act of Pakistan was renamed as the Vested Property Act, under which the properties of Hindus can be confiscated by the Government of Bangladesh at any time. It is the clear view of the Vishva Hindu Parishad (VHP) that due to the Islamic character of Bangladesh, the governments there have not only been looking the other way when Hindus are attacked, but also proving to be the motivators and patrons of the radical Islamists. They cannot get out of the clutches of fundamentalists without declaring Bangladesh a secular country instead of an Islamic country.

Dr Jain said that the Hindu society will not tolerate these inhuman atrocities being committed on the Hindus. That's why a huge outrage is being demonstrated in Kolkata today on October 19. A big demonstration will be held on 20th October in front of the Bangladesh High Commission at New Delhi. Along with this, outrage demonstrations will be held at district places across Bharat.

The VHP warns the Bangladesh government that if they want to stand in the line of developing countries, they will have to break free from their radical image. Extremists will have to be dealt with in the same manner as was done in 1971. If needed, the Government of Bangladesh should also take the help of the Government of Bharat.

The VHP also appeals to the UNO to play a proactive role in preventing atrocities on Hindus. The UNO should justify its raison d'etre by sending Peace Keeping Force to such Jihad affected places. The VHP appeals to the Government of Bharat to exert an adequate amount of pulls and pressures on the Government of Bangladesh, so that the latter can fulfil its obligation to ensure the safety and security of its indigenous minority Hindu population.

Sincerely

Vinod Bansal

National Spokesperson

Vishva Hindu Parishad

@VHPDigital @vinod_bansal

প্রেস বক্তব্য :

হিন্দুদের গণহত্যা সহ্য হবেনা; জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠাক: ডক্টর সুরেন্দ্র জৈন

20 তারিখে VHP র দেশব্যাপী প্রতিবাদ; জিহাদি আতঙ্কবাদের কুশপুত্তলিকা দহন; মহামহিম রাষ্ট্রপতি কে স্মারকলিপি জ্ঞাপন

নতুন দিল্লি. অক্টোবর 19, 2021 - বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) বলেছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরন্তর গণহত্যা বন্ধ করতে জাতিসংঘের (UNO) এখন শান্তি রক্ষা বাহিনী পাঠানো উচিত। ভিএইচপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডক্টর সুরেন্দ্র জৈন বলেছেন যে হিন্দুদের উপর ইসলামী জিহাদি মৌলবাদীরা যে নৃশংসতা চালাচ্ছে তাকে কেবল নাৎসিদের (Nazi) বর্বরতার সাথে তুলনা করা যেতে পারে। হিন্দুদের ওপর পাশবিক অত্যাচারের চক্র থামার নাম নিচ্ছে না। এখন জাতিসংঘের সংস্থার (UNO) উচিত এই বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া এবং সেখানকার অতি কষ্টদায়ক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য দেরি না করে বাংলাদেশে শান্তি রক্ষা বাহিনী পাঠানো। হিন্দুদের উপর নির্মম অত্যাচারের নিন্দা জানিয়ে, ভিএইচপি শেখ হাসিনাকে নিজের রাজধর্ম অনুসরণ করতে, হিন্দু সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধীদের কঠোর শাস্তি দিতে সতর্ক করে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ এবং সকল মানবাধিকার সংগঠনগুলি পঙ্গু রয়ে গেছে। ইসলামী মৌলবাদীরা বাংলাদেশকে হিন্দু শূন্য করতে তৎপর। বাংলাদেশ সরকার নির্বাক দর্শক হয়ে আছে। জিহাদিদের নিয়ন্ত্রণ করার পরিবর্তে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছেন যে, তারা যেন ভারতে এমন কোনো ঘটনা না ঘটতে দেয় যা সেখানকার মুসলমানদের উত্তেজিত করবে। শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের পর মুসলিম মৌলবাদীরা আরো উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং হিন্দুদের উপর পাশবিক অত্যাচার বেড়ে যায়। নৃশংসতার চক্র এখনও থামার নাম নিচ্ছে না।

ভিএইচপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ একটি ঘোষিত ইসলামী দেশ। সেজন্য আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশেও শুরু থেকে হিন্দুদের উপর জঘন্য অত্যাচার হয়েছে, কিন্তু বর্তমান ঘটনাবলী আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। শুধুমাত্র গত 10 দিনে 150 টিরও বেশি মা দুর্গা পূজা মন্ডপ ধ্বংস করা হয়েছে। 362 টিরও বেশি মূর্তি ভাঙা হয়েছে। হাজার হাজার হিন্দুর ঘরবাড়ি ও দোকান লুট করা হয়েছে। 1000 এরও বেশি হিন্দু আহত হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত 10 জন হিন্দু মারা গেছে। অনেক হিন্দু নারীকে নির্মমভাবে গণধর্ষণ করা হয়েছে। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক নারী, তার মেয়ে ও তার বোনের মেয়েকে নির্মমভাবে গণধর্ষণ করা হয়। সেখানে এক নিষ্পাপ 10 বছরের মেয়ে মারা যায়। ইসকনের তিনটি মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশনের আশ্রম, রাম ঠাকুর আশ্রমের মতো 50 টিরও বেশি মন্দির ধ্বংস করা হয়েছে। ইসকনের দুই সাধু এবং চৌমোহিনী মন্দিরের তিনজন পুরোহিতকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। ইসকন মন্দিরের পুকুরে গতকাল আরেকজন পুরোহিতের লাশ পাওয়া গেছে। ইন্টারনেট বিধিনিষেধের কারণে অনেক জেলায় অসম্পূর্ণ খবর পাওয়া গেছে। বাস্তবতা আরো ভয়াবহ।

তিনি বলেন, হিন্দুদের উপর এই ধরনের অত্যাচার উগ্র ইসলামী চরিত্রের একটি অংশ হয়ে উঠেছে, যার প্রমাণ বর্তমান বাংলাদেশে হিন্দুদের ক্রমাগত হ্রাসপ্রাপ্ত জনসংখ্যা। ১৯৫১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ২২%; বাংলাদেশ সৃষ্টির সময় ১৯৭১এ ছিল ১৮%, যা এখন মাত্র ৭%এ নেমে এসেছে। এটি প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ সৃষ্টির পরেও হিন্দুদের উপর অত্যাচারের প্রক্রিয়া বন্ধ হয়নি বরং দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। সমগ্র বিশ্ব জানে যে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সকল বাঙালির উপর একই রকম অমানবিক অত্যাচার করে ৩০ লক্ষ বাঙালি মানুষের হত্যা করেছিল এবং ৪ লক্ষ বাঙালি স্ত্রীদের নৃশংস গণধর্ষণ করেছিল, যার থেকে মুক্তি দিতে ভারত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তি বাহিনী কে সাহায্য দিয়ে বাংলাদেশ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তানি অত্যাচার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বাংলাদেশের মুসলিম সমাজের আসল চরিত্র সামনে আসে এবং সেখানকার সরকারগুলো এই বর্বর চরিত্রের সংরক্ষক এবং পৃষ্ঠপোষক হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশ একটি ইসলামী দেশ ঘোষণার পর সেখানে পাকিস্তানকালীন এনেমি প্রপার্টি এক্ট এখন ভেস্টেড প্রপার্টি এক্ট নামে পরিচিত হয়, যার অধীনে হিন্দুদের সম্পত্তি সেখানকার সরকার যে কোন সময় দখল করতে পারে। এটা ভিএইচপির একটি স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি যে, বাংলাদেশের ইসলামী চরিত্রের কারণে সেখানকার সরকারগুলো হিন্দুদের উপর অত্যাচারের নীরব দর্শক হিসেবেই নয়, প্রেরণাদায়ীও হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশকে ইসলামী দেশের পরিবর্তে পন্থনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে ঘোষণা না করে তারা মৌলবাদীদের খপ্পর থেকে বের হতে পারবে না।

ডক্টর জৈন বলেছেন যে হিন্দু সমাজ হিন্দুদের উপর এই অমানবিক অত্যাচার সহ্য করবে না। সে কারণেই আজ ১৯ অক্টোবর কলকাতায় বিশাল বিক্ষোভ প্রদর্শিত হচ্ছে। ২০ অক্টোবর দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে একটি বড় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে। এর সঙ্গে সারা দেশে জেলা স্থানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হবে।

ভিএইচপি বাংলাদেশ সরকারকে হুঁশিয়ারি দেয় যে, যদি তারা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে দাঁড়াতে চায়, তাহলে তাদের নিজেদের কট্টরপন্থী ভাবমূর্তি থেকে মুক্ত হতে হবে। জিহাদি চরমপন্থীদের মোকাবেলা করতে হবে একই পদ্ধতিতে যা 1971 সালে করা হয়েছিল। প্রয়োজনে তাদের ভারত সরকারের সাহায্য নেওয়া উচিত।

ভিএইচপি জাতিসংঘ সংস্থার কাছে হিন্দুদের উপর অত্যাচার প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আবেদনও করে। জাতিসংঘ এই জায়গাগুলোতে শান্তি রক্ষা বাহিনী পাঠিয়ে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা প্রমাণিত করুক । ভিএইচপি ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি তার সমস্ত শক্তি প্রয়োগে চাপ সৃষ্টি করার জন্য আবেদন করে যাতে বাংলাদেশ সরকার নিজেদের দেশজ সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালনে সক্ষম হয়।

ভবদীয়
বিনোদ বংসল
রাষ্ট্রীয় মুখপাত্র
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
VHPDigital@vinod_bansal

प्रेस वक्तव्य:

हिंदुओं का नरसंहार बर्दास्त नहीं, यूएन भेजे पीस कीपिंग फोर्स: डॉ सुरेन्द्र जैन

विहिप के देशव्यापी विरोध प्रदर्शन 20 को, पुतला दहन कर देंगे ज्ञापन

नई दिल्ली। अक्टूबर 19, 2021। विश्व हिन्दू परिषद(विहिप) ने कहा है कि बांग्लादेश में हिंदुओं के अनवरत नरसंहार को रोकने के लिए अब संयुक्त राष्ट्र संघ को पीस कीपिंग फोर्स भेजनी चाहिए। विहिप के केन्द्रीय संयुक्त महामंत्री डॉ सुरेन्द्र जैन ने कहा है कि हिंदुओं पर इस्लामिक कट्टरपंथियों द्वारा किये जा रहे अत्याचारों की तुलना केवल नाजियों की बर्बरता से की ही जा सकती है। हिंदुओं के विरुद्ध हो रहे पाशविक अत्याचारों का सिलसिला थमने का नाम नहीं ले रहा। अब संयुक्त राष्ट्र संघ को इस मामले में पहल करते हुए वहाँ बुरी तरह पीड़ित अल्पसंख्यक हिंदुओं की सुरक्षा हेतु अपनी पीस कीपिंग फोर्स अबिलंब बंगलादेश भेजनी चाहिए। विहिप हिन्दुओं पर हो रहे नृशंस अत्याचारों की कठोरतम शब्दों में निंदा करते हुए शेख हसीना को आगाह करती है कि वे अपने राज धर्म का पालन करें, हिंदू समाज की सुरक्षा सुनिश्चित कर दोषियों को कठोरतम सजा दिलवाएं।

उन्होंने कहा कि संयुक्त राष्ट्र संघ एवं सभी मानवाधिकार संगठन पंगु बने हुए हैं। इस्लामिक कट्टरपंथी बांग्लादेश को हिंदू शून्य बनाने पर तुले हैं। बांग्लादेश सरकार मूकदर्शक बनी है। वहां की प्रधानमंत्री जिहादियों पर नियंत्रण करने की जगह भारत सरकार को नसीहत दे रही हैं कि वे भारत में ऐसी कोई घटना ना होने दें जिससे कि वहां का मुसलमान भड़क जाए। शेख हसीना के इस बयान के बाद मुस्लिम कट्टरपंथी और भड़क गए तथा हिंदुओं पर हो रहे पाशविक अत्याचारों में बढ़ोतरी हो गई। अत्याचारों का सिलसिला अभी भी थमने का नाम नहीं ले रहा।

विहिप के संयुक्त महा सचिव ने कहा कि बांग्लादेश घोषित रूप से इस्लामिक देश है। इसीलिए अफगानिस्तान तथा पाकिस्तान की तरह बांग्लादेश में प्रारंभ से ही हिंदुओं पर जघन्य अत्याचार होते रहे हैं लेकिन वर्तमान घटनाक्रम ने पिछले सभी रिकॉर्ड तोड़ दिए हैं। केवल पिछले 10 दिनों में 150 से अधिक मां दुर्गा के पूजा मंडप नष्ट कर दिए। 362 से अधिक मूर्तियां ध्वस्त कर दी। हजारों हिंदुओं के घरों और दुकानों पर हमला करके लूटा गया है। 1000 से अधिक हिंदू घायल हो गए हैं तथा अभी तक 10 हिंदुओं के मारे जाने का भी समाचार आ चुका है। कई हिंदू महिलाओं के साथ बर्बर रूप से सामूहिक बलात्कार किए गए हैं। चांदपुर के हाजी गंज में तो एक महिला, उसकी बेटी और उसकी बहन की बेटी के साथ पाशविक रूप से सामूहिक बलात्कार किए गए। 10 साल की एक मासूम बच्ची ने तो वहीं पर दम तोड़ दिया। इस्कॉन के तीन मंदिरों, रामकृष्ण मिशन के आश्रमों, राम ठाकुर आश्रम जैसे 50 से अधिक मंदिरों को नष्ट कर दिया गया है। इस्कॉन के दो संतो तथा चौमोहिनी मंदिर के तीन पुजारियों की बर्बर हत्या कर दी गई है। कल ही इस्कॉन मंदिर के तालाब में एक और पुजारी का शव देखा गया है। कई जिलों में इंटरनेट की पाबंदी के कारण अधूरे समाचार मिले हैं। वास्तविकता इससे भी कहीं भयानक है।

उन्होंने कहा कि हिंदुओं पर इस तरह के अत्याचार कट्टर इस्लामिक चरित्र का एक अंग बन गए हैं जिसका साक्ष्य वर्तमान बांग्लादेश में हिंदुओं की निरंतर गिरती हुई जनसंख्या है। 1951 में पूर्वी पाकिस्तान में हिंदुओं की जनसंख्या 22% थी, बांग्लादेश के निर्माण के समय 1971 में 18% थी जो अब घटकर मात्र 7% रह गई है। इससे यह सिद्ध होता है कि बांग्लादेश के निर्माण के बाद भी हिंदूओं पर अत्याचारों का सिलसिला रुका नहीं अपितु और तेजी से बढ़ा है। संपूर्ण विश्व जानता है कि पाकिस्तानी सेना के द्वारा सभी बंगालियों पर इसी प्रकार के अमानवीय अत्याचार किए जाते थे जिन से मुक्ति दिलाने के लिए ही भारत ने मुक्ति वाहिनी का गठन किया था और बांग्लादेश का निर्माण हुआ था। लेकिन पाकिस्तानी अत्याचारों से मुक्ति पाते ही वहां के मुस्लिम समाज का असली चरित्र सामने आ गया और वहां की सरकारें इस बर्बर चरित्र की संरक्षक बन गई।

इस्लामिक देश घोषित करने के बाद वहां वेस्टेड प्रॉपर्टी एक्ट बनाया गया जिसके अंतर्गत हिंदुओं की संपत्ति पर वहां की सरकार कभी भी कब्जा कर सकती है। विहिप का यह स्पष्ट मत है कि बंगलादेश के इस्लामिक चरित्र के कारण ही वहाँ की सरकारें हिंदूओं पर अत्याचारों की मूक दर्शक ही नहीं प्रेरक भी बनती रही हैं। बंगलादेश को इस्लामिक देश की जगह धर्मनिरपेक्ष देश घोषित किए बिना वे कट्टरपंथियों के चंगुल से बाहर नहीं निकल सकते।

डॉ जैन ने कहा कि हिंदू समाज पर हो रहे इन अमानवीय अत्याचारों को हिन्दू समाज और बर्दास्त नहीं करेगा। इसलिए आज 19 अक्टूबर को कोलकाता में विशाल आक्रोश प्रदर्शन किया जा रहा है। दिल्ली में बांग्लादेश हाई कमीशन के सामने 20 अक्टूबर को एक बड़ा प्रदर्शन किया जाएगा। इसके साथ ही पूरे देश में जिला स्थानों पर आक्रोश प्रदर्शन किए जाएंगे।

विहिप बांग्लादेश सरकार को आगाह करती है कि यदि वे विकासशील देशों की पंक्ति में खड़े रहना चाहते हैं तो उन्हें अपनी कट्टरपंथी छवि से मुक्त होना पड़ेगा। कट्टरपंथियों पर उसी तरह की कार्यवाही करनी पड़ेगी जो 1971 में की गई थी। आवश्यकता हो तो उन्हें भारत सरकार की सहायता भी लेनी चाहिए।

विहिप की संयुक्त राष्ट्र संघ से भी अपील है कि वह हिंदुओं पर हो रहे अत्याचारों को रोकने के लिए सक्रिय भूमिका निभाये। इन स्थानों पर पीस कीपिंग फोर्स भेज कर अपने अस्तित्व के औचित्य को सिद्ध करें। विहिप सरकार भारत सरकार से अपील करती है कि वे अपनी पूरी ताकत से बांग्लादेश सरकार पर दबाव बनाएं जिससे वह हिंदू समाज की सुरक्षा सुनिश्चित करने के अपने दायित्व को पूरा कर सके।

भवदीय

विनोद बंसल

राष्ट्रीय प्रवक्ता

विश्व हिंदू परिषद

@VHPDigital @vinod_bansal

Issued By